1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রশ্নে যা বললেন তারেক রহমান - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রশ্নে যা বললেন তারেক রহমান

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৬০ বার পঠিত
মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় কালো আইন সংশোধনের ইঙ্গিত

অনলাইন ডেস্ক ,

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সীমিত করে রাখা যেসব কালো আইন রয়েছে, সেগুলো সবাই মিলে আলোচনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে সংস্কার করা হবে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, বিএনপির আমলে যেমন সাংবাদিকদের গুম, নির্যাতন বা দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়নি—ভবিষ্যতেও তেমন কোনো দুঃসময় আসবে না।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বিবিসি বাংলায় প্রচারিত সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, “২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত যে সময় আমরা ক্ষমতায় ছিলাম, তখনকার পত্রপত্রিকাগুলো খুলে দেখলেই বোঝা যাবে—কত রকম খবর ছাপা হয়েছে, যেগুলোর সত্যতা ছিল না, ছিল নিছক অপপ্রচার। তবুও সেগুলোকে সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছিল। আমরা কাউকে থামাইনি, ভয় দেখাইনি।”

তিনি আরও বলেন, “অনেক সাংবাদিকের নাম বলতে পারব যারা পরবর্তী সময়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। আজও অনেকে প্রবাসে রয়েছেন। স্বৈরাচারী সময়ে সাংবাদিকদের ভয় দেখানো, ফোনে ধমক দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু বিএনপির সময় এসব হয়নি। আমাদের শাসনামলে কোনো সাংবাদিককে গুম করা হয়নি, হয়রানি করা হয়নি, কিংবা দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়নি। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও হবে না।”

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত করে রাখা আইন সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা সবাই একসাথে বসব, আলোচনা করব। যেসব আইনকে কালো আইন বলা হয়, সেগুলো ধাপে ধাপে সংশোধন বা বাতিল করা হবে। এটা আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।”

তারেক রহমান আরও বলেন, “সাংবাদিকদের প্রতি আমাদের একটাই অনুরোধ—আপনারা যেন কোনো অপপ্রচার সংবাদ হিসেবে প্রকাশ না করেন। সত্য তথ্য তুলে ধরুন, কারণ সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা জাতীয় সম্পদ। রাজনীতিক হিসেবে আমরা চাই, সংবাদ যেন বিভ্রান্তির কারণ না হয়।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..